Columbus, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
মৌলভীবাজার ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে কিশোরীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, ছুরিকাঘাতে দুই তরুণ আহত নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে বাপুসের প্রথম গোপন ব্যালটের নির্বাচন। সভাপতি মহি উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এএইচএম মান্নান মুন্না। কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা বসুরহাট পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সেনবাগে এতিম-অসহায় ও কোরআনের পাখিদের একবেলা মেহমানদারি সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের স্বীকার ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাসুদ আলম নওগাঁয় মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের ১১নেতাকর্মী আটক নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হচ্ছে আরও দুই বিষয় দৌলতপুরে যুবককে পিটিয়ে আহত ও চুল কাটার ঘটনা, চুরির অপবাদ নাকি পূর্বশত্রুতা । ফেসবুকের সুযোগে মিথ্যাচার করবেন সেটা আমরা হতে দিবো না : এলজিআরডি মন্ত্রী সমঝোতার পর বাংলাদেশ সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাংগঠনিক প্রক্রিয়া কোন পর্যায়ে? কোম্পানীগঞ্জে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে স্বজনদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কুষ্টিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন। নওগাঁয় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ
হোম › জাতীয় › চট্টগ্রামে ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ উধাও

চট্টগ্রামে ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ উধাও

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৬ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪ 183
চট্টগ্রামে ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ উধাও

চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকার ইসলামী ব্যাংকের শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সোমবার (৩ জুন) আদালতে মামলা করার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রাবেয়া বারী।

ব্যাংকটির চকবাজার শাখার প্রধান এ এম শফিকুল মাওলা চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিযোগটি অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৩ জুন) তদন্তের অগ্রগতি ভুক্তভোগী গ্রাহককে জানানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক লকারের কী রাখছেন এবং কতটুকু রাখছেন, সে ব্যাপারে কোনো রেকর্ড রাখা হয় না। শুধুমাত্র আগ্নেয়াস্ত্র ও দাহ্য পদার্থ না রাখার ব্যপারে একটি লিখিত নেয়া হয়।


তিনি আরও বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে ভুক্তভোগী গ্রাহক ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে ছোট লকারের জন্য ১ লাখ টাকা, মাঝারি লকারের জন্য ২ লাখ টাকা ও বড় লকারের জন্য তিন লাখ টাকা পাবেন গ্রাহক। অর্থাৎ, ভুক্তভোগী রাবেয়া প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ খুইয়ে পাবেন মাত্র দুই লাখ টাকা। কারণ মাঝারি আকারের লকার ছিল তার।


এর আগে, গত ২৯ মে স্বর্ণ গায়েবের বিষয়টি টের পান বলে জানান ভুক্তভোগী রাবেয়া বারী। পরে এ ঘটনায় চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে বিষয়টি সামনে আসে।


রাবেয়া বারী জানান, গত ১৭ বছর ধরে ইসলামি ব্যাংকের এই শাখার লকারে ১৬০ ভরি স্বর্ণ রাখা ছিল। এর মধ্যে লকারে মাত্র ১১ ভরি স্বর্ণ পান তিনি। চুরি হওয়া স্বর্ণের মধ্যে ৪০ পিস হাতের বালা, গলা ও কানের জড়োয়া সেট, হার, চেইন, আংটি ও কানের দুল ছিল বলেও জানান তিনি।