Columbus, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
মাদ্রাসার সুপারের ওপর হামলার অভিযোগ ও নিয়োগ অনিয়ম নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন মহাদেবপুরে সর্বমঙ্গলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের উদ্বোধন নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে পুনঃ নিয়োগের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন নওগাঁয় ৩৮৭০ ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রায় ৫ লাখ টাকা উদ্ধার মামলার বাদী ৬৫ বছরের নারীকে বাড়ি থেকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, অবস্থান নিয়ে পরিবারের উদ্বেগ। কুমারখালীতে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার: এসআরবির অভিযান। কুড়িগ্রামে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন: পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান অগ্রাধীকার ভিত্তিতে প্রথমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবো- মৌলভীবাজার মন্ত্রী আরিফুল হক অদৃশ্য কারণে মৌলভীবাজারে প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮৫ জন নাসিরনগরে বহুল প্রতীক্ষিত ফোর লেন সড়কের কাজের উদ্বোধন নিখোঁজর দুই দিন পর নাসিরনগরের গুনিয়াউকে ডোবায় মিলল মাদ্রাসা সুপারের মরদেহ বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সার্বভৌম বন্ড ছাড়ার পরিকল্পনায় তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা, গঙ্গার পানি বণ্টনেও ঢাকার দাবি নিউইয়র্ক সফরে ৩০ কর্মসূচি, ১১ দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই
হোম › বাংলাদেশ › অদৃশ্য কারণে মৌলভীবাজারে প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮৫ জন

অদৃশ্য কারণে মৌলভীবাজারে প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮৫ জন

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:৪৩ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 5
অদৃশ্য কারণে মৌলভীবাজারে প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮৫ জন

মাহিদুল ইসলাম

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি॥


মৌলভীবাজারে অদৃশ্য কারণে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ৮৫ জন। এতে করে চরম হতাশায় পড়েছেন এসব প্রার্থীরা।গতকাল শনিবারে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।


জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এরমধ্যে মৌলভীবাজার জেলায় ৩৬৫ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এর মধ্যে ৮৫ জনের নিয়োগপত্র অদৃশ্য কারণে দেওয়া হয়নি।



জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজারে ৩৬৫ পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৩৪৭ জন। বাকী ১৮ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসেননি এছাড়াও তারা মেডিকেল পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। ৬৭ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি।



নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা জানান, আমরা এখন কোথায় যাবো কার কাছে গিয়ে অনুরোধ করবো বুঝতে পারছি না। চাকুরী না পেলে আমাদের পরিবারের স্বপ্ন এখানেই শেষ হবে। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর কোন কারণ ছাড়াই আমাদেরকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ বাদ পড়া প্রার্থী নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বেঁচে থাকার জন্য চাকরি টা আমাদের খুবই প্রয়োজন। সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হোক।



এ বিষয়ে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন রিপোর্টের কারণে হয়তো তাদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি এই বিষয় নিয়ে সিলেটে জরুরি মিটিংয়ে যাচ্ছি। আশাকরি যারা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে থেকে আরও কয়েকজনকে নেওয়া হতে পারে।