অগ্রাধীকার ভিত্তিতে প্রথমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবো- মৌলভীবাজার মন্ত্রী আরিফুল হক
মাহিদুল ইসলাম
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি॥
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আমার প্রথমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন কাজ করবো অগ্রাধীকার ভিত্তিতে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশ আরও গতিশীল হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমসহ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে।
আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, সবার সমন্বিত উদ্যোগে মৌলভীবাজারকে মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সমন্বয় ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করে তাদের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনগুলো জানতে হবে।একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক যোগাযোগ ও অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামোর উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণদের বিদেশি ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে সভায়
উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার -১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার -৪ আসেনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নুমেরী জামান ও উপসচিব মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য মো. মিজানুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব আবদুর রহিম রিপন প্রমুখ।
সভা শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, আমরা প্রথমে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা পর্যায়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।