সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের স্বীকার ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাসুদ আলম
সাইফুর রহমান
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি॥
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ফেসবুক পেজে প্রচারিত বিভিন্ন বক্তব্য ও অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এবিষয়ে মাসুদ আলম বলেন আমি দীর্ঘ ১৩ বছর যাবৎ সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছি।
কিন্তু আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ফেসবুক পেজে যেসব তথ্য ও বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সরকারি দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে তার সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এসব প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এসব প্রচারণার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ইউনিয়ন ভুমি অফিসে কোনো ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহন করা হয়না। সেখানে ৩ লক্ষ টাকার একটা এতো বড় অভিযোগ তাও আবার প্রায় ৪/৫ মাস পর এটা যে উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিত তা স্পষ্ট। ৩ লক্ষ টাকা যদি দেবেন ই তবে সেটা তার মোবাইল ফোন থেকেই দেবেন তিনি আমাকে কেনো দেবেন? এটাই মুল প্রশ্ন অভিযোগকারীর প্রতি।
আমার দাবি অভিযোগকারীর আপন ভাতিজা উল্লাস ব্যাপারীকে মাদক সেবনের অভিযোগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই মোবাইল কোর্টে তিনি পেশকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নিলুর খামার ও নওডাঙ্গাকুটি মৌজার নামজারি কার্যক্রম প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে অভিযোগকারীর পরিবারের রানু বেপারী নামক একজন ব্যক্তি পরপর দুইবার নামজারীর আবেদন করলেও তার নামজারী নামঞ্জুর হয়। এ কারনে রানু বেপারি নাগেশ্বরী কলেজ মোড় রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রায় সময় আমাকে হুমকি দেয়।
এছাড়া এটার জন্য যতদুর যেতে হয় ততোদুর যাবো আর বদলি করেই আমার নামজারী করে নেবো সেই সাথে চাকুরির বারোটা বাজাবো। ভুমি উন্নয়ন করের মিথ্যে অভিযোগের সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, ভূমি অফিসে কখনোই ভূমি উন্নয়ন কর নেয়া হয়না।
অভিযোগকারীর সাথে অফিসে কখনোই এই ভূমি উন্নয়ন করের বিষয়ে কথা হয়নি। তাই অভিযোগ প্রমানিত না হলে অভিযোগকারীসহ যারা এই ভিত্তিহীন অভিযোগ যাহা ডাহা মিথ্যে ( যাচাই-বাছাই হীন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কর্তৃপক্ষ কে অনুরোধ করছি।