Columbus, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা, গঙ্গার পানি বণ্টনেও ঢাকার দাবি নিউইয়র্ক সফরে ৩০ কর্মসূচি, ১১ দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেসবুকের সুযোগে মিথ্যাচার করবেন সেটা আমরা হতে দিবো না : এলজিআরডি মন্ত্রী চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট মৌলভীবাজার ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে কিশোরীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, ছুরিকাঘাতে দুই তরুণ আহত নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে বাপুসের প্রথম গোপন ব্যালটের নির্বাচন। সভাপতি মহি উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এএইচএম মান্নান মুন্না। কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা বসুরহাট পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সেনবাগে এতিম-অসহায় ও কোরআনের পাখিদের একবেলা মেহমানদারি সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের স্বীকার ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাসুদ আলম নওগাঁয় মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের ১১নেতাকর্মী আটক নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হচ্ছে আরও দুই বিষয়
হোম › বাংলাদেশ › তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা, গঙ্গার পানি বণ্টনেও ঢাকার দাবি

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা, গঙ্গার পানি বণ্টনেও ঢাকার দাবি

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:৪০ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 5
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা, গঙ্গার পানি বণ্টনেও ঢাকার দাবি

ঢাকা প্রতিনিধি॥


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোও সম্ভাব্য সফরের আলোচনায় আসতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।


এর মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। ফলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি আলোচনায় তোলার আগ্রহ রয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা এবং নদীর পানিপ্রবাহের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।


তবে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ফলে সফরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।


বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে গঙ্গার পানি বণ্টন দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। নদীর পানির প্রবাহ, পরিবেশ, কৃষি এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে বিষয়টি সরাসরি সম্পর্কিত।


দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বিষয়ও সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফরে এসব বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।


বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পানি বণ্টন নিয়ে একটি কার্যকর সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার অবস্থান জানিয়েছে।


এখন পর্যন্ত সফরটি সম্ভাব্য পর্যায়ে রয়েছে। তাই গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা নতুন চুক্তি হয়েছে—এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।