জাতিসংঘে বাংলাদেশের বিশেষ কূটনৈতিক ভূমিকা
নিউইয়র্ক,
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে এবার বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ, ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারপ্রধান হিসেবে সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম সাধারণ পরিষদের মূল প্রতিপাদ্য হলো—‘Restoring trust, managing transformation: A United Nations that delivers for all.’ সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা তাঁদের নিজ নিজ দেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরছেন।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেন। এর আগে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেন। পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন। হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য অধিবেশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের বক্তব্য দেবেন। এটি হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বৈশ্বিক শান্তি ও শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে।
জাতিসংঘের এবারের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে বাংলাদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা—সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ—একই অধিবেশনে একত্র হয়েছে।