মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগ
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির পর যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা পদ ছেড়েছেন। একই সময়ে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদেও পরিবর্তন এসেছে।
পদত্যাগ করা কর্মকর্তারা হলেন ফ্লোরিডার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার ইউএস অ্যাটর্নি জেসন রেডিং কিনোনেস, বিচার বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা শাখার প্রধান জন আইজেনবার্গ এবং নাগরিক অধিকার শাখার প্রধান হারমিত ধিলোঁ। কিনোনেস ও আইজেনবার্গ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পদত্যাগ করেন। ধিলোঁ বৃহস্পতিবার তাঁর বিদায়ের ঘোষণা দেন।
কিনোনেস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আগের তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কথিত ‘গ্র্যান্ড কন্সপিরেসি’ তদন্ত তদারক করছিলেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ওই তদন্তে প্রত্যাশিত অভিযোগ গঠন না হওয়ায় বিচার বিভাগের নেতৃত্ব তাঁর ওপর অসন্তুষ্ট ছিল। অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যানশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কাজের প্রশংসা করেছেন। হারমিত ধিলোঁ জানিয়েছেন, তিনি বেসরকারি আইন পেশায় ফিরে যাচ্ছেন এবং নির্বাচনের আগেই হোয়াইট হাউসকে বিদায়ের কথা জানিয়েছিলেন। আইজেনবার্গের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলসের জায়গায় ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াইলস এক্সে লিখেছেন, হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করা তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। কংগ্রেসের কমিটিগুলো এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় প্রশাসনের ওপর তদারকি ও তদন্তের ক্ষমতা বাড়বে। ফলে বাকি দুই বছরে ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের এজেন্ডা কঠিন হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ছবি: জেসন রেডিং কিনোনেস (সংগৃহীত)