জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচি
নিউইয়র্ক,
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ততা দেখা গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হয়ে ওঠে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এবং শান্তিচুক্তি না হলে আরও কঠোর পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা বলেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও বক্তব্য দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং যুদ্ধের সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া ভেনেজুয়েলা, কিউবা ও মেক্সিকোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নীতি নিয়েও বক্তব্য দেন ট্রাম্প। বিশেষ করে মাদক কার্টেল দমন এবং পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেন।
জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়েও ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি জাতিসংঘের আমলাতান্ত্রিক কাঠামো, ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সংস্কারের কথা বলেন।
ট্রাম্পের ভাষণের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিদেরসহ একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কর্মসূচি ছিল।
এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক আলোচনার বড় অংশজুড়ে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য, ইউক্রেন, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
সূত্র: Reuters। (Reuters)