অনলাইন, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
কমলগঞ্জের চুরির গরু, কুলাউড়ায় আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ীতে নোয়াখালীতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রস্তুতি, মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ যুবসমাজের জন্য ভঙ্গুর অর্থনীতি ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ রেখে গেছে পতিত সরকার;তিতুমীর। নওগাঁয় কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, ১৩ মোটরসাইকেল আটক নওগাঁয় ছাগলে করলা গাছ খাওয়ায় দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার-৭ নাসিরনগরের ধরমন্ডলে দেহ ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় কিশোরীকে হত্যার হুমকি নাসিরনগরের খাগালিয়া গ্রামে মৎস্য জীবীর জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকা ক্ষতির দাবি জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের অঙ্গীকার এলজিআরডি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শ্রীমঙ্গল চা বাগানে বৈদ্যুতিক তারে শক খেয়ে সোনালী হনুমানের মৃত্যু নাসিরনগরে অটোচালক হত্যাঃ মোবাইল উদ্ধারে হত্যার রহস্য উদঘাটন অনিয়ম বরদাশত নয়, কারো ভুলের দায় বিএনপি নেবে না: সতর্কতা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মতো দুর্নীতির মহোৎসব শুরু হয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভোগডাঙ্গায় জমজমাট জুনিয়র ফুটবল ফাইনাল, মাঠজুড়ে দর্শকের উচ্ছ্বাস খাসিয়া পুঞ্জিতে তাণ্ডব, কেটে দিলো ৮ হাজার পানগাছ ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে একজন নিহত
হোম › বাংলাদেশ › নওগাঁয় ছাগলে করলা গাছ খাওয়ায় দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার-৭

নওগাঁয় ছাগলে করলা গাছ খাওয়ায় দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার-৭

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৪ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬ 4
নওগাঁয় ছাগলে করলা গাছ খাওয়ায় দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার-৭

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ


নওগাঁর ধামইরহাটে ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কাশেম (৪২) নামে এক ব্যাক্তি নিহতের ঘটনায় এজাহারনামীয় ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এসময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।


মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতেই জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার দুপুর দুইটার দিকে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মৃত আব্দুল গফুরের দুই ছেলে আব্দুল হাকিম (৬০) ও মোঃ কফিল উদ্দিন (৬৫), ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৫), মৃত ইসমাইল হোসেনের মেয়ে হামিদা বেগম (৩৮), আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৫০) এবং রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা সকলেই একই পরিবারের মা-বাবা ও চাচা-চাচী এবং ছেলে ও ছেলের বউ।


এবং নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃত রাজ মাহমুদ মন্ডলের ছেলে। আর আহতরা হলেন, নিহতের বড় ভাই মুক্তার আলী, ভাইয়ের স্ত্রী রেখা বেগম, বড় ভাই বদিউল ইসলাম এবং ছোট ভাই ইমরান আলী।


পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রাকিবুল ইসলাম রনির জমির করলা গাছ খেয়ে ফেলে একটি ছাগল। এ নিয়ে কৃষক আবুল কাশেম ও রনির পরিবারের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। মারামারির সময় অভিযুক্ত রনি ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে উপর্যুপরি আঘাত করেন। এবং কাশেমসহ মোট পাঁচজন গুরুতর জখম হয়ে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে আহত আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। অপর জখমীরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনায় নিহত কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধান ও সার্বিক দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন জায়গায় রাতব্যাপী অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় ৭আসামিকে গ্রেপ্তার করে।


পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ সেখানে যায় এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে। পরে হত্যা মামলা দায়ের হলে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঘটনার রাতেই ৭আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানালেন ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিন্টু রহমান।