Columbus, ০৪ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে আদালতে হট্টগোল, আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতি সাত শর্ত পূরণ না হলে খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের চালান ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ১,৬০৮ স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মানবাধিকার নিশ্চিত করেই এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মৌলভীবাজারে টিকটকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে যুবক আটক নোয়াখালীতে মাদক মিশ্রিত ‘ঝাক্কাস’ পান করে তরুণের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অনিয়মের দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা সদ্য অপসারিত ও ওএসডি হওয়া সিভিল সার্জন বিদায়ে উন্মোচিত হলো চাঞ্চল্যকর তথ্য! নির্মাণাধীন সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় কোম্পানীগঞ্জে বৃদ্ধা নিহত রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান রাজনগরে শ্রমিক দলের সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার-৩ ৯ দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সেনাপ্রধান কমলগঞ্জের চুরির গরু, কুলাউড়ায় আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ীতে নোয়াখালীতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রস্তুতি, মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ
হোম › বাংলাদেশ › স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মানবাধিকার নিশ্চিত করেই এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মানবাধিকার নিশ্চিত করেই এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:৪৮ এএম, ০৪ অক্টোবর, ২০২৬ 12
স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মানবাধিকার নিশ্চিত করেই এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা প্রতিনিধি॥


বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


শনিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী পঞ্চম ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাও জরুরি। একই সঙ্গে আইনের শাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আইনের প্রয়োগ সমান হতে হবে।


তারেক রহমান বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির পাশাপাশি মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক নীতি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে হবে। এসব নীতিকে একটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।


বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, বাংলাদেশ, ভারতসহ বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি, জলবায়ু, সমুদ্রসম্পদ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে পারে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর, নৌপথ এবং উপকূলীয় অর্থনীতি দেশটিকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। জাহাজ চলাচল, মৎস্য, পর্যটন, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থায় সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে সমতা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেই সংলাপ, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে যাবে।


‘Fragments, Frontiers and Futures: Navigating Power, Technology and Trust in a World Rewritten’ প্রতিপাদ্যে ৩ থেকে ৫ অক্টোবর ঢাকায় এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে অভ্যন্তরীণ সুশাসনের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।