দেখে ভালো লাগছে, আসার জন্য ধন্যবাদ—ডা. জুবাইদাকে মেলানিয়া
নিউইয়র্ক ডেক্স, যুক্তরাষ্ট্র॥
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে নিউইয়র্কে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের। সাক্ষাতের সময় মেলানিয়া ট্রাম্প ডা. জুবাইদা রহমানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “দেখে ভালো লাগছে, আসার জন্য ধন্যবাদ।”
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত ‘Fostering the Future Together’ অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সাক্ষাৎ হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের নেতারাও অংশ নেন। শিশুদের শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণ, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো ছিল আয়োজনের মূল আলোচ্য।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ‘Fostering the Future Together’ উদ্যোগটি শিশুদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এর অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, শিক্ষাপ্রযুক্তি, অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল দক্ষতা।
ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে মেলানিয়া ট্রাম্পের এটি নতুন কোনো পরিচয় নয়। চলতি বছরের মার্চে ওয়াশিংটনে মেলানিয়ার আমন্ত্রণে আয়োজিত প্রথম বৈশ্বিক ‘Fostering the Future Together’ সম্মেলনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ওই সম্মেলনে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপদ পরিবেশ এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডা. জুবাইদা।
নিউইয়র্কের এবারের আয়োজনে ‘Fostering the Future Together’ জোটের সদস্যসংখ্যা ৫৭ দেশে সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব এবং ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কর্মসূচির পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়।
জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন ডা. জুবাইদা রহমান। এর আগে তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দেওয়া বিশ্বনেতাদের সম্মানে নৈশভোজেও অংশ নেন।
ডা. জুবাইদা রহমান ও মেলানিয়া ট্রাম্পের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দেশের ফার্স্ট স্পাউসদের মধ্যে শিশুদের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতাকেও সামনে এনেছে।
তথ্যসূত্র: হোয়াইট হাউস, (The White House)