Columbus, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা প্রতিমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কুমারখালী, হাতাহাতির ঘটনায় লাঞ্ছিত ৩ সাংবাদিক চিকিৎসকের বদলে অন্য ব্যক্তির সিজার করায় নবজাতকের মৃত্যু; হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আহত ৯ জন; আটক ১ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ‎নাসিরনগরে রাতের আঁধারে ২টি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি, ভোগান্তিতে কৃষকরা নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি; অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে নওগাঁয় বাছুরে খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, হামলায় নিহত ১ কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে মা খুন, বাবা গুরুতর আহত
হোম › জাতীয় › “প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

“প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:৫০ পিএম, ০৫ মে, ২০২৪ 174
“প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

বর্তমানে গ্রামগঞ্জে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ১২ ঘণ্টা, কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং। আমার এলাকাতেই ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সরকার বলেছে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা আছে। তাহলে বিদ্যুৎ গেল কোথায়? 

রোববার (৫ মে) জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।

চুন্নু বলেন, এই মুহূর্তে সারাদেশের মানুষ অনেক সমস্যায় আছেন। তার মধ্যে দুটি সমস্যায় মানুষ অনেক বেশি আক্রান্ত, তার একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ। বর্তমানে গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ১২ ঘণ্টা, কোথাও ৮ ঘণ্টা। আমার এলাকায় ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সরকার বলেছে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা আছে, তাহলে এত বিদ্যুৎ গেল কোথায়? গ্রামে লোডশেডিং হয় না চ্যালেঞ্জ করবেন কেন?

তিনি বলেন, কি যে একটা অসহনীয় অবস্থা, ঢাকা থেকে আপনারা বুঝবেন না। আমার এলাকার মানুষ বলেছে, লোডশেডিং হয় কিনা সেটা দেখাতে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে এলাকায় ১ দিন থাকার দাওয়াত দেওয়ার জন্য। আগের অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। আমি চ্যালেঞ্জ চাই না, আমি চাই উনি সশরীরে আমার এলাকায় যাবেন। দেখবেন সারাদিনে কয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। 

আইএমএফের প্রস্তাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রী দাম বৃদ্ধিকে বলেন সমন্বয়। এ সমন্বয় এক বছর করেছেন। আগামী তিন বছরে ১২ বার করবেন। ভর্তুকি পুরো তুললে বিদ্যুতের দাম দ্বিগুণ হয়ে যাবে। মানুষ কিনতে পারবে কি না আমি জানি না। দাম বৃদ্ধি না করে এমন পদক্ষেপ নেন, যেটাতে জনগণের ওপর চাপ না পড়ে সহনীয় পর্যায়ে আপনারা সরকারেও থাকতে পারেন। আর বিদ্যুৎও যাতে পাওয়া যায়।